| বিষয় | প্রকাশনার তারিখ | বিস্তারিত |
|---|---|---|
| ডিটিসিএ, ডিএমপি ও মালিক সমিতি কর্তৃক প্রস্তাবিত বাস রুটসমূহের খসড়া তালিকা | December 10, 2025 | বিস্তারিত দেখুন |
দিকনির্দেশনা: ডিটিসিএ, ডিএমপি ও মালিক সমিতি কর্তৃক প্রস্তাবিত বাস রুটসমূহের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হল। এই খসড়া সম্পর্কে আপনার সুচিন্তিত মতামত/পরামর্শ প্রদানের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে কোন মতামত বা পরামর্শ পাওয়া গেলে উহা বিবেচনায় নিয়ে খতিয়ে দেখা হবে।
দুঃখিত, মতামত প্রদানের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। নতুন কোন আপডেটের জন্য পরবর্তী সময়ে আবার চেষ্টা করুন।
প্রদত্ত মতামতসমূহ
2. প্রতিটি রুটে বাস পরিচালনার ধরন ও বাস্তবতা বোঝার জন্য রুটের মোট দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তাবিত বাসস্টপের সংখ্যা ও অবস্থান উল্লেখ করা জরুরি। এই তথ্যগুলো যাত্রা সময়, সেবার নির্ভরযোগ্যতা এবং পরিচালনাগত সক্ষমতা মূল্যায়নে সহায়ক হবে।
3. রুটসমূহ পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে যে, অনেক রুটে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ওভারল্যাপ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, রুট-১১ এবং রুট-২ প্রায় ৮০ শতাংশ অংশে অভিন্ন। এ ধরনের ওভারল্যাপ বাস অপারেটরদের মধ্যে যাত্রী সংগ্রহের জন্য প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করবে, যা শেষ পর্যন্ত সেবার মান হ্রাস, ঝুঁকিপূর্ণ চালনা এবং দুর্ঘটনা বা যানবাহন ক্ষতির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।
4. প্রস্তাবিত রুটগুলোর দৈর্ঘ্য অত্যধিক এবং এগুলো ঢাকার একাধিক যানজটপ্রবণ এলাকার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করবে। NCC মাস্টার প্ল্যান জরিপ অনুযায়ী, একটি বাসের দৈনিক গড় চলাচল দূরত্ব ৯০-১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এ অবস্থায় প্রস্তাবিত রুট অনুসরণ করলে অনেক বাসের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাউন্ড ট্রিপ সম্পন্ন করে নিজ নিজ ডিপোতে ফিরে আসা কঠিন হয়ে পড়বে। এক্ষেত্রে বিরমাহীন বাসচালনার ফলে বাসের দুর্ঘটনা প্রবণতা বাড়তে পারে।
5. রুটের অতিরিক্ত দৈর্ঘ্য এবং বাস অপারেটরদের যাত্রী পূর্ণ হওয়ার পর বাস চালু করার প্রচলিত প্রবণতার কারণে, রুটের মধ্যবর্তী অংশ থেকে ওঠা যাত্রীদের জন্য বসার বা দাঁড়ানোর পর্যাপ্ত জায়গা না পাওয়ার অধিক সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে রুটের মধ্যবর্তী অংশের বর্তমান বাসযাত্রীরা নিরুৎসাহিত হয়ে অটো, সিএনজি এবং অন্যান্য প্যারাট্রানজিট ব্যবহারে আগ্রহী হতে পারে।
6. আমি একজন পরিবহন পেশাজীবী হিসেবে, প্রতিটি রুটকে এক বা দুইটি আবাসিক এলাকাকে এক বা দুইটি প্রধান বাণিজ্যিক বা কর্মসংস্থান কেন্দ্রের সঙ্গে সংযুক্ত করে রুটের দৈর্ঘ্য কমানোর সুপারিশ করছি। এছাড়া, উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন (High Demand) করিডরগুলোর জন্য সীমিত সংখ্যক ট্রাঙ্ক সার্ভিস রুট নির্ধারণ করা যেতে পারে।
7. রুট নেটওয়ার্ক পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার আগে জরিপভিত্তিক তথ্য ব্যবহার করে বাসযাত্রীর চাহিদা (Bus passenger Demand) নিরূপণ এবং যাত্রীদের Desire line বিশ্লেষণ করা আবশ্যক। এই বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপযুক্ত ডাইরেক্ট সার্ভিস, ট্রাঙ্ক সার্ভিস এবং প্রয়োজনে ফিডার সার্ভিস নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।
8. পাশাপাশি, বাস রুটগুলোর মধ্যে ওভারল্যাপ সর্বনিম্ন পর্যায়ে সীমিত রাখা উচিত, যাতে অপারেটরদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা কমে এবং একটি সুসংহত ও টেকসই ব্যবসায়িক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এতে অপারেটররা মানসম্মত সেবা বজায় রেখে বাস পরিচালনা করবে, যার ফলে বাসভ্রমণে যাত্রি চাহিদা (Passenger Demand) বাড়বে।
# প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিকীকরণ
-ই-টিকিটিং ও স্মার্ট কার্ড: এক কার্ডে বাস–মেট্রো–বিআরটি (র্যাপিড পাস) এবং সব বাসে বাস ভ্যালিডেটর নিশ্চিত করা।
-GPS ও রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং: অ্যাপে বাসের অবস্থান, আগমন সময়।
-ক্যাশলেস পেমেন্ট: QR/NFC/মোবাইল ওয়ালেট।
-ডেটা অ্যানালিটিক্স: যাত্রী চাহিদা, সময়ভিত্তিক ফ্রিকোয়েন্সি অপ্টিমাইজেশন।
# অবকাঠামো উন্নয়ন
-মানসম্মত বাস স্টপ: শেড, সাইনেজ, ডিজিটাল ডিসপ্লে।
-ডেডিকেটেড বাস লেন: প্রধান করিডোরে (বিশেষত পিক আওয়ারে)।
-টার্মিনাল ও ডিপো আধুনিকীকরণ: রক্ষণাবেক্ষণ, পার্কিং, চার্জিং (ই-বাস)।
-হাব-অ্যান্ড-স্পোক মডেল: মেট্রোর সাথে ফিডার বাস।
# যানবাহন ও পরিবেশ
-ইলেকট্রিক/হাইব্রিড বাস: ধাপে ধাপে রূপান্তর।
-স্ট্যান্ডার্ডাইজড বাস ডিজাইন: লো-ফ্লোর, হুইলচেয়ার অ্যাক্সেস।
-নিয়মিত ফিটনেস ও এমিশন টেস্ট: কড়া প্রয়োগ।
৫) মানবসম্পদ ও সেবার মান
-ড্রাইভার–কন্ডাক্টর প্রশিক্ষণ: নিরাপত্তা, গ্রাহকসেবা।
-পারফরম্যান্স ইনসেনটিভ: সময়ানুবর্তিতা ও নিরাপত্তাভিত্তিক।
-নারী ও দুর্বল যাত্রীদের নিরাপত্তা: সিসিটিভি, হটলাইন।
৬) আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা
-ট্রাফিক আইন কঠোর প্রয়োগ: বাস লেন দখল, ওভারটেকিং নিয়ন্ত্রণ।
-জনসচেতনতা ক্যাম্পেইন: লাইনে ওঠা–নামা, টিকিট শৃঙ্খলা।
-স্টেকহোল্ডার অংশগ্রহণ: অপারেটর, যাত্রী, সিটি কর্পোরেশন।
এছাড়াও শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী কার্ড এর প্রচলন করা যেতে পারে যেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরবরাহ করবে এবং সেই কার্ড ব্যবহার করলে হাফ ভাড়া রাখা হবে.
২। কোন সিঙ্গেল ডেক বাস চলবে না, ক্রমান্বয়ে সকল বাস ই মাল্টিএক্সেল ডাবলডেকার (এসি/নন এসি উভয় ই) এ রূপান্তরিত করা হবে এবং বাসগুলার বডিবিল্ডিং দেশে ই হবে একটা সূক্ষ্ণ, সুনির্দিষ্ট ক্যাটালগ মেনে এবং কঠোর মাননিয়ন্ত্রণ এর মাধ্যমে।। চেসিস নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভারতীয় নিম্নমানের চেসিসসমূহ কখনো ই নির্বাচন করা যাবে না। কেবল জাপান, চীন, সুইডেন এবং কোরিয়ান ব্র্যান্ড এর চেসিস ই থাকবে।
৩। চালক, শ্রমিক সহ সবার ই সরকারি পে স্কেল মেনে ভাতাদি প্রদানের ব্যবস্থা থাকতে হবে।।
৪। নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া যাত্রী উঠা-নামা করা যাবে না।।
৫। র্যাপিড পাস এবং ই-টিকেটিং এর মাধ্যমেই ভাড়া পরিশোধ হবে প্রতিটা কাউন্টারে এবং সেখানে ক্যাশলেস ব্যবস্থাও থাকতে হবে।।
2. Chittagong road to gulistan to mirpur 14 via shahbag banglamotor kawranbazar farmgate kazipara.
3. Chittagong road to gazipur via rampura
4. Chittagong road to elevated via gazipur.
5. Chittagong road to motijheel
বড় বাসগুলোকে গুলিস্তান ঢুকতে না দেওয়া। দূরপাল্লার বাসগুলোকে গুলিস্তান থেকে বের করে বাইরে টার্মিনাল দাওয়া।